অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি.)

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি.) একজন প্রখ্যাত আলেম, বহু গ্রন্থ প্রণেতা ও আস সুন্নাহ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন এই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা আলিম এবং মুজাদ্দিদ। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিসান্স, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

ভিডিও লেকচারআরও দেখুন

প্রবন্ধ সমূহআরও দেখুন

যিলহজ্জ মাস এবং প্রথম তেরদিনের আমল সমূহ

আল্লাহ তা’য়ালা বলেন: لإن شكرتم لأزيدنكم وإن كفرتم إن عذابي لشديد অর্থঃ “যদি তোমরা আমার নিয়া’মতের শুকরিয়া আদায় কর তাহলে আমি তোমাদের নিয়া’মত বৃদ্ধি করে দিব । আর যদি তোমরা নাশুকরিয়া কর তাহলে (জেনে রেখ ) আমার আযাব বড় কঠিন।”

হাদীসের বিশুদ্ধতা যাচাই: রাসূলুল্লাহ (সা.) এর নির্দেশ ও সাহাবীগণের কর্মপদ্ধতি

কুরআনুর কারীম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসই মুসলিম জীবনের পাথেয়। সকল মতের সকল মুসলিমই কুরআন ও হাদীসের উপর নির্ভর করতে চান এবং নিজেদের মতের পক্ষে কুরআন ও হাদীসের প্রমাণাদি পেশ করতে চেষ্টা করেন। তবে বর্তমান সমাজে হাদীসের গ্রহণযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে কিছু উৎকট অজ্ঞতা প্রসূত বিভ্রান্তি বিরাজমান।

আল কুরআনের আলোকে তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল বনাম ‘পবিত্র বাইবেল

আল্লাহর কিতাবসূহে বিশ্বাস করা মুমিনের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কুরআন ও হাদীসে বিষয়টি বারংবার উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআন কারীমে একস্থানে মহান আল্লাহ বলেন: “হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহে, তাঁর রাসূলে, তাঁর রাসূলের উপর যে গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন তাতে এবং যে গ্রন্থ তিনি পূর্বে অবতীর্ণ করেছেন তাতে ঈমান আন। এবং কেউ আল্লাহ, তাঁর ফিরিশতাগণ, তাঁর গ্রন্থসমূহ, তাঁর রাসূলগণ এবং পরকালকে অবিশ্বাস করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বে।”1

বই সমূহআরও দেখুন

ইযহারুল হক (১ম খণ্ড)

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ.

বিস্তারিত
আল-ফিকহুল আকবার

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত
ইসলামী আকীদা

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত
রাহে বেলায়াত

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত
হাদীসের নামে জালিয়াতি

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত
পবিত্র বাইবেল পরিচিতি ও পর্যালোচনা

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত
এহ্ইয়াউস সুনান

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর

বিস্তারিত

প্রশ্নোত্তরআরও দেখুন

আসসালামু ওয়া আলাইকুম মুহতারাম।আমার বিয়ের সময় মেয়ে পক্ষ আমাকে কিছু করার জন্য ২.৫ লাখ টাকা দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় আমার ছোট থেকেই ইচ্ছে ছিলো যৌতুক নেবোনা কিন্তু মোহরানা আদায় করবো। বিয়েটাতে রাজি ছিলামনা আমি হটাৎ কোন একদিন রাতে সবাই আমাকে বুঝালো কিভাবে যেন রাজিও হয়ে গেলাম ঐদিনই বিয়ে পড়ালো তখন আমার শশুর বললো তুমি কত কাবিন করতে চাও সেটাই করো আমি যা দিতে চাইছি এমনেই দিবো কিন্তু চক্ষু লজ্জার জন্য সেই দিন বলেছিলাম যেহেতু আপনি ২.৫ লাখ টাকা দিবেন সেহেতু ৩.৫ লাখ কাবিন করেন। তার পর থকে এখন পর্যন্ত কোন টাকা আমি নেই নাই কেননা নিজের কাছে নিজেকে দোষী মনে হয় মনে হয় আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবো এখন প্রশ্ন হলো যেহেতু ঐদিন আমার শশুর কে বলেছিলাম “আপনি যেহেতু ২.৫ লাখ দিবেন তাই ৩.৫ লাখ কাবিন করেন এখন তো টাকাটা নেই নাই তাহলে কি মোহরের জন্য আমাকে পুরো ৩.৫ লাখ ই পরিশোধ করতে হবে নাকি ১ লাখ করলেই হবে। যেহেতু বর্তমান সময় অনেক খারাপ আমি যদি পুরো কাবিনের টাকা টা পরিশোধ করি আল্লাহ না করুক যদি কখনো আমাদের মধ্যে ডিবোর্স হয় বা পুনরায় যদি আবার ৩.৫ লাখ দাবি করে এ ক্ষেত্রে এখন আমার করণীয় কি. আমি মন থেকে চাচ্ছি মোহরের সমুদয় টাকা পরিশোধ করতে।
আসসালামুয়ালাইকুম।  ২০২০ সালের কথা। তখন আমার বয়স ছিল পনেরো। আমি একটা হারাম রিলেশনে জড়াই। আমার মা বাবা সেটা কিছুদিনের মাঝেই জানতে পারেন। ছেলেটির বাড়ি আমার পাশের এলাকায়। ছেলেটি এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী নামে পরিচিত এবং এলাকার কেউ তাকে পছন্দ করে না।  খারাপ ছেলে বলেই তার পরিচয়। এ বিষয়গুলো মা বাবা জানার পর আমাকে বোঝায় আমি যেন এসব বাদ দেই। কিন্তু ঐ ছেলে এবং তার পরিবার আমাকে খুব ভালোবাসত। তাদের কথায় প্ররোচিত হয়ে আমি ঐ ছেলের সাথে পরিচয়ের এক মাস পরেই লুকিয়ে বিয়ে করি । সেখানে একটা হুজুর আর আমরা দুজন ছাড়া কেউ উপস্থিত ছিলাম না। আমি তখন জানতাম না যে এই ভাবে অভিভাবক এর অনুমতি ছাড়া বিবাহ হয় না। এজন্য তার কথায় কিছুদিন পর আমি তার সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাই। আমার মা বাবা পুলিশের মাধ্যমে আমাদের দুই দিন পর খুঁজে পায় এবং ছেলেটিকে পুলিশে দেয়। সে দুই মাস জেল খাটার পর । তার জন্য আমার অনেক মায়া হয় এবং আমি তাকে বিয়ে করার জন্য মা বাবার সাথে অনেক জেদ করি । সেই ছেলের মা বাবাও বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আমার মা বাবা ছেলের চরিত্র সম্পর্কে বিভিন্ন আজেবাজে কথা শোনায় তারা কোনোভাবেই রাজি হয় না। আমার মা বাবা এবং সব গুরুজন আমাকে বোঝালেও আমি ভাবতাম তারা আমাকে এসব মিথ্যা কথা বলছে। আমি তাদের কোনো কথাই বিশ্বাস করতাম না। মা বাবার সাথে বেয়াদবি করতাম ।ঐ ছেলের সাথে যোগাযোগ রাখতাম। এক পর্যায়ে মা বাবা আমাদের গুরুজনদের কে নিয়ে বসে এবং তারা আমার বাবার বলে ঐ ছেলের সাথে আমার বিয়ে দিতে। কিন্তু মা বাবা কিছুতেই রাজি হয় না। তারপর এরকম আমার জেদ এবং আত্মীয়দের চাপে সেই দিন রাতে বিয়ের আয়োজন করা হয় আমার বড় চাচার বাড়িতে। আমার ঐ বড় চাচা ছাড়া বিয়েতে কেউ রাজি ছিল না। বাবা মা সেদিন খুব কান্নাকাটি করেছে কিন্তু আমি তাদের কোনো কথা শুনিনি। বাবা কে সবাই জোর করে কাবিননামায় অভিভাবকের স্বাক্ষর করায় । আমার বাবা সেদিন একদম ই রাজি ছিল না। তারপর বিয়ে হলে আমি সেখানে যাই। সেখানে আমি প্রায় দশ মাস থাকি। বিয়ের পর আমি বুঝতে পারি আমার মা বাবা যা বলেছিল তাই ঠিক। ছেলেটি আসলেই ভালো না। আমার মা বাবার বাড়িতে আমি চলে আসি এবং তাকে স্বামী তালাক দেই। স্বামী তালাক দেওয়ার তিন মাস পর আমি সেই তার কাছে আবার ফিরে যাই এবং একদিন দেখি আমি যেই ঘরে থাকি সেই ঘরে মৃত পশুর হাড় দিয়ে আমার কাপড় বাঁধানো। তখন এটি আমি তার আপন ভাইকে জানাই। তখন আমার ভাসুর বলে আমার স্বামী আমাকে বিয়ের আগে থেকে এখন পর্যন্ত কালো জাদু করে আসছে।‌ যেন তার সাথে আমি সংসার করি।এ র আগেও কয়েকটা মেয়ের সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক ছিল এসব তারা আমাকে জানায়। এবং বলে আমার সাথে প্রতারণা করে বিয়ে করেছে।এসব আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করলে সে স্বীকার করে যে সে এসভ করেছে। আমি এসব জানার পর আমার মা বাবাকে জানাই এবং তারা আমাকে নিয়ে চলে আসে। প্রায় দুই বছর যাবত আমি মা বাবার কাছে অবস্থান করছি। এর মাঝে সেও আমাকে তালাক দেয় নি আমিও দেয় নি। আমি চলে আসার পর সে আবার বিয়ে করেছে এবং সেই স্ত্রী ও থাকে নি, চলে গেছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী চলে যাওয়ার কিছু দিন পর থেকে তার সাথে আমার যোগাযোগ হয় এবং সে বলে সে এখনো আমাকে ভালোবাসে। কিছু দিন আগে আমি জানতে পারি স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা না দেয় তাহলে স্ত্রী তালাক নিতে পারে না। এই কথা জানার পর আমার মনে হয় আমরা এখনো স্বামী স্ত্রী আছি কারণ আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করলে সে বলে সে আমাকে কখনো তালাক এর অধিকার দেয় নি এবং সে আমাকে কখনো তালাক দিবেও না। এসব জানার পর তার সাথে আমার অন্তরঙ্গতা বাড়ে। তার সাথে লুকিয়ে দেখা করা ।‌কিন্তু এলাকার সবাই জানে আমাদের তালাক হয়ে গেছে। তার সাথে আমার যোগাযোগ এর বিষয় টি আমার মা বাবা জানতে পারলে তারা খুব কষ্ট পায় এবং আমাকে অভিশাপ দেয় এবং বলে আমি যদি কখনো তার কাছে যাই তাহলে আমার মা বাবা আত্মহত্যা করবে এবং আমার উপর গযব নামবে। কিন্তু আমার স্বামী নিজেকে বদলে ফেলবে আর কখনো খারাপ কাজ করবে না বলে আমাকে জানায়। তার সাথে যোগাযোগ এর কারণে প্রতিনিয়ত আমার মা বাবার সাথে আমার মিথ্যা বলতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি আমি কি করব বুঝে উঠতে পারছি না। আমি কি মা বাবার কথা শুনে তার কাছে তালাক চাইব নাকি তার কাছে চলে যাব? মেহেরবাণী করে উত্তর দিবেন।

শাইখ এর কয়েকটি

গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

আমার চিন্তা যখন আখিরাত মুখি হবে তখন দুনিয়াটা আমার জন্য আনন্দময় হয়ে যাবে।

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহি.)

আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সমাজ সংস্কার, মহত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামী তমদ্দুনের প্রসার, বহুমুখী শিক্ষায়ন প্রকল্প পরিচালনা, ত্রাণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে

আরও দেখুন